তৈরী করুন ব্লগ সংরক্ষনাগার

Standard

খনো কখনো এমন হয় যে লেখার ইচ্ছা হয় না কিন্তু লেখার প্রয়োজন। নিজে একটি ব্লগ পরিচালনা করলে বেশ কিছু ভিজিটর নিয়মিত আপনার নতুন লেখাগুলোকে আনুসরণ করতে থাকে। আর কষ্ট করে সাইটে এসে নতুন লেখা না পেলে এক দিন, দুই দিন, তিন দিন পরে সেই ভিজিটর আর আপনার ব্লগে আসবে না। আবার এমনও হয় যে এক দিন দুই তিনটা লেখা লিখে ফেলেছেন এখন তিনটি লেখাই প্রকাশ করে ফেললেন । পরের সাত দিনে নতুন কোন লেখা লেখার মতো কিছু খুজে পেলেন না। তিনটি লেখা হজম করার মতো সামর্থ বা সময় আপনার সাইট ভিজিটরের নাও থাকতে পারে। সে হয়তো তিনটির মধ্যে একটি পোষ্ট পড়ে চলে যাবে। নিয়মিত না লিখতে পারলে ভিজিটর হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ব্লগ সংরক্ষনাগার তৈরী করুন আরেকটা বেপার হলো আপনার ব্লগের ই-মেইল ফিড সাবক্রাইবার হয়তো আনেকেই আছে। তারা মেইল বক্স খুলে অনেকগুলো ই-মেইল নিউজ লেটার পেয়ে বিরক্ত হয়ে আনসাবক্রাইব করতে পারে। টুইটার, ফেসবুক ইত্যাদি নেটওয়ের্কেও একসাথে আপনার এতগুলো পোষ্টের খবর দিলে তারাও সবগুলোতে নজর নাও দিতে পারে। একটা বেপার হলো লেখালেখি এমন একটি কাজ যা প্রতিদিন করা সম্ভব নাও হতে পারে। আপনি হয়তো কম্পিউটারের সামনে বসে আছেন কিছু লিখবেন বলে, অথচ লিখতে পারছেন না। লেখালেখি একটি সৃষ্টিশীল কাজ, জোর করে কোন কিছু লেখা যায় না। ব্লগ পরিচালনা করতে গেলে আবার নিয়মিত পোষ্ট দেওয়া দরকার এর এ সমস্যাটা সব ব্লগারের মধ্যে দেখা যায়। ব্লগিং ব্যাংক একাউন্ট একটি পোষ্ট লিখেছেন অথচ এখনো প্রকাশ করেন নি এই সময়ে একটু ভেবে দেখুন (১) এর আগের পোষ্টটি কবে লিখেছিলেন ? (২) পরের পোষ্টটি আনুমানিক কত সময় পরে লিখতে পারবেন? যদি মনে হয় যে বেশ কিছুদিন নিয়মিত লিখতে পারবেন আথচ আবার কিছুদিন পরে হয়তো লেখালেখিতে বিরতি পড়তে পারে। এখন কয়েকটি পোষ্ট কি সঞ্চয় করে রাখতে পারেন না? আপনার লেখালেখির গ্যাপ এর সময় প্রকাশ করার জন্য রাখতে পারেন। কি কি সুবিধা হবে? ১. নিজের ব্যক্তিগত বা যে কোন সমস্যার সময়ে আপনি পোষ্ট প্রকাশ করতে পারবেন। ২. সঞ্চয়কৃত লেখাটি সম্পাদনা বা নতুন কিছু কথা যুক্ত করার জন্য বেশ কিছু সময় পাবেন। এতে করে বেশ ভাল মানের পোষ্ট লিখতে পারেন। ৩. লেখার চাপ কমানোর জন্যও কিছু লেখা জমিয়ে রাখতে পারেন এটা একটা সম্পদ হিসেবে কাজ করতে পারে। অনেক ব্লগারই ব্লগিং ছাড়াও ভিন্ন পেশার সাথে জরিত থাকেন। তাদের সব সময় রেখার সময় নাও হতে পারে। আবার বেশ কিছ দিন সময় হয়ে যেতে পারে। এই সময়টার সদ্বব্যবহার করতে পারেন। ৪. ধরুন কয়েকমাস পরেই পহেলা বৈশাখ । এখনই পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে কোন লেখা লিখলে ও তা প্রকাশ করলে যতটা হিট পাবেন পহেলা বৈশাখের সময় তার চেয়ে অনেক বেশি হিট পাবেন। তাই এই বেপারটা মাথায় রাখা দরকার। নতুন ব্লগের ক্ষেত্রে নতুন ব্লগের ক্ষেত্রে অবশ্য সিডিউল করে না রাখাই ভাল। নতুন ব্লগে নতুন ভিজিটররা খুটে খুটে সব পোষ্টই পড়ে। তাই মোটামুটি নিয়মিত ভিজিটর আসার পরেই এ পদ্ধতিটি প্রয়োগ করতে পারেন। একটা কথা বলি, আমার কথাগুলো অনেকটা উপদেশের মতো শোনাতে পারে তাতে আমার কিছু করার নাই। আপনি আপনার মতো করে লিখুন ও প্রকাশ করুন। ব্লগ একজনকে স্বাধীন ভাবে বলতে শেখায়।
We offer “Free Silver Membership” for first 5,000 members.

Don’t miss your “Free Silver Membership”. Signup now, you can be the first 5,000.

 

 

 

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s